সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাবাজার পত্রিকা.কম ‘মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধা দানকারীদের সর্বসমক্ষে গুলি করে হত্যা করা উচিত ছিল’ বাংলাবাজার পত্রিকা.কম অতি প্রবল হয়ে উঠছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব, গতিবেগ হতে পারে ১৪০ কিমি বাংলাবাজার পত্রিকা.কম ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২২১৮ বাংলাবাজার পত্রিকা.কম জাইকার সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে চান প্রধানমন্ত্রী বাংলাবাজার পত্রিকা.কম সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে না পুলিশ: আইজিপি বাংলাবাজার পত্রিকা.কম কেরানীগঞ্জে কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৮ ইউনিট বাংলাবাজার পত্রিকা.কম দক্ষিণ আফ্রিকায় সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশী যুবকের মৃত্যু বাংলাবাজার পত্রিকা.কম পরীমনির জন্য উড়োজাহাজে করে কে পাঠালেন শিউলি ফুল? বাংলাবাজার পত্রিকা.কম মধ্যরাতে মুক্তিযোদ্ধা মানিকের দাফন নিয়ে তাসনিম জারার ক্ষোভ বাংলাবাজার পত্রিকা.কম ভূড়ির কালাভুনা—সহজ রেসিপিতে দারুণ স্বাদ!

গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু করেছে ইসরায়েল

গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু করেছে ইসরায়েল

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা থেকে সেনা প্রত্যাঞার শুরু করেছে ইসরায়েল। ইতোমধ্যে কয়েকটি এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।

তুরস্কের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তাসংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনের বরাতে জানা গেছে, শুক্রবার থেকে ইসরায়েল-গাজা সীমান্তের ‘ইয়েলো লাইন’ ক্রসিং দিয়ে সেনাদের ফিরিয়ে আনা শুরু হয়েছে। শনিবার পর্যন্ত গাজার মধ্যাঞ্চলীয় শহর গাজার সিটির শেজাইয়া, আল তুফাহ এবং জেইতুন এলাকা, দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খান ইউনিসের পূর্বাংশ এবং দক্ষিণাংশ থেকে সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছে।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পর্যায়ক্রমে গাজার অন্যান্য এলাকা থেকেও সেনাদের প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে।

এদিকে ইসরায়েল সেনা প্রত্যাহার শুরুর পর নিজ বাসভূমি ফিরে আসছেন গাজার ফিলিস্থিনিরা। শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কয়েক লাখ ফিলিস্তিনি অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে নিজেদের এলাকায় ফিরে এসেছেন।


শনিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সারাদিন দক্ষিণ গাজার অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে উত্তর গাজায় ফিরে গেছেন হাজার হাজার ফিলিস্তিনি। যানবাহনের পরিমাণ কম এবং তেলের সংকট থাকায় অধিকাংশ ফিলিস্তিনি যাত্রা করেছেন পায়ে হেঁটে।


একই ভাবে দক্ষিণ গাজার যেসব বাসিন্দা গাজার মধ্যঞ্চলীয় শহর গাজা সিটি এবং পূর্ব গাজায় আশ্রয় নিয়েছিলেন, তারাও নিজ নিজ এলাকায় ফেরা শুরু করেছেন। বাড়ি ফেরার জন্য সমুদ্রের তীরবর্তী আল রশিদ স্ট্রিট এবং সালাহ আল দীন রোড— এ দু’টি সড়ক ব্যবহার করছেন তারা।


ইসরায়েলি বাহিনীর গত ২ বছরের অভিযানে গাজার ৯০ শতাংশ ভবন সম্পূর্ণ ধ্বস হয়ে গেছে, বাকি ১০ শতাংশ ভবন ক্ষতিগ্রস্ত। ধ্বংস ও ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলোর একটি বড় অংশই ঘরবাড়ি।


ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযান থেকে জীবন বাঁচাতে যারা নিজেদের এলাকা ও বাড়িঘর ছেড়ে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছিলেন, তাদের অধিকাংশের বাড়িঘর এখন ধ্বংস্তূপ। যেসব ফিলিস্তিনি ইতোমধ্যে নিজ  নিজ এলাকায় ফিরে গেছেন, তারা তাঁবু খাটিয়ে বসবাস করছেন।


গাজার সরকারি মিডিয়া দপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকার ফিলিস্তিনিদের খাদ্য, স্বাস্থ্য ও মানবিক সহায়তা এবং ধ্বংস্তূপের তলায় আটকে থাকা মৃতদের দেহাবশেষ উদ্ধার করতে ইতোমধ্যে উপত্যকাজুড়ে ৫ হাজার মিশন শুরু হয়েছে।


সম্পাদক : আবদুল মাতিন