শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাবাজার পত্রিকা.কম কে সাংবাদিক, তা নির্ধারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষ চান তথ্যমন্ত্রী বাংলাবাজার পত্রিকা.কম পৃথিবীর যেখানেই যান, বাংলাদেশের খাবারের প্রশংসা করেন আতিফ আসলাম বাংলাবাজার পত্রিকা.কম শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব মোদী সরকারের বাংলাবাজার পত্রিকা.কম পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন, আলোচনায় যারা বাংলাবাজার পত্রিকা.কম বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম লাইফ সাপোর্টে বাংলাবাজার পত্রিকা.কম লিবিয়ায় জিম্মি ৬ বাংলাদেশি তরুণ, পরিবারকে ভিডিও কলে রেখে নির্যাতন বাংলাবাজার পত্রিকা.কম 'রাষ্ট্রপতি চাইলে পদত্যাগ করতে পারবেন, সংবিধানে সেই সুযোগ আছে' বাংলাবাজার পত্রিকা.কম চট্টগ্রাম বোর্ডের স্থগিত হওয়া পরীক্ষা শুরু ২৭ জুলাই বাংলাবাজার পত্রিকা.কম ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী বাংলাবাজার পত্রিকা.কম কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে যে ৬ মসলা

পরীক্ষার ভেতর চাকরি করতে হবে না ইকনকে, ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

পরীক্ষার ভেতর চাকরি করতে হবে না ইকনকে, ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

বিকেলে বাবার দাফন সম্পন্ন করে রাতে কৃষি ব্যাংকের এটিএম বুথে দায়িত্ব পালন এবং পরদিন সকালে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া বাগেরহাটের শিক্ষার্থী ইকনের পড়ালেখার দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম ড. এহছানুল হক মিলন। পাশাপাশি পরীক্ষাকালীন সময়ে তাকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ারও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


বুধবার (২২ জুলাই) রাতে শিক্ষামন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) ফারহান ইশতিয়াক ফোন করে ইকনকে মন্ত্রীর এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। 


ফারহান ইশতিয়াক জানান, এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালে যেন ইকনকে চাকরিতে ডিউটি করতে না হয়, সে জন্য শিক্ষামন্ত্রী আগামী দুই দিনের মধ্যে তাকে আর্থিক সহায়তা পাঠানোর নির্দেশনা দিয়েছেন। এছাড়া পরীক্ষা শেষ হলে তার উচ্চশিক্ষাসহ ভবিষ্যৎ পড়ালেখার বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতা করার আশ্বাসও দিয়েছেন মন্ত্রী।


মঙ্গলবার রাতে একটি গণমাধ্যমে ইকনের সংগ্রামী জীবনের খবর প্রকাশের পর তা দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।


জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে ইকনের বাবা ইসরাফিল দাড়িয়া হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং পরে দুপুরে মারা যান। ৪৬ বছর বয়সী ইসরাফিল মোটরসাইকেল চালিয়ে পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করতেন।


ইকনের পারিবারিক অবস্থাও অত্যন্ত নাজুক। তাদের আদি বাড়ি গোপালগঞ্জে হলেও ইকনের দাদা বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডে গাড়িচালক হিসেবে কর্মরত থাকায় পরিবারটি বাগেরহাটে বসবাস শুরু করে। অবসরের পর দাদা গোপালগঞ্জে ফিরে গেলেও ইসরাফিল বাগেরহাটেই থেকে যান। বর্তমানে ইকন তার মা ও মানসিক ভারসাম্যহীন এক ভাইকে নিয়ে মাসে ৪ হাজার টাকা ভাড়ার একটি বাসায় বসবাস করেন।


বাবার মৃত্যুজনিত শোকের মধ্যেও সংসারের দায় কাঁধে নিয়ে ইকন সেদিন রাতেই কৃষি ব্যাংকের একটি এটিএম বুথে ডিউটি পালন করেন। দায়িত্বের ফাঁকে বুথের ভেতরেই বই নিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে দেখা যায় তাকে। সেখানেই তার সঙ্গে কথা বলে পুরো ঘটনার কথা জানতে পারেন কালবেলার জেলা প্রতিনিধি। পরদিন সকালে তিনি এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন।


ইকনের এই সংগ্রামের গল্প প্রকাশের পর বিভিন্ন মহলে ব্যাপক সাড়া পড়ে। এরই ধারাবাহিকতায় তার পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম ড. এহছানুল হক মিলন।

সম্পাদক : আবদুল মাতিন