রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সামনের দেয়ালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতি বিকৃত ও নষ্ট করার চেষ্টা, উসকানিমূলক বক্তব্য, রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড এবং ধর্মীয় সম্প্রীতিতে আঘাতের চেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে একজন নারী রয়েছেন।
রোববার (১১ অক্টোবর) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ, ধর্মীয় সম্প্রীতিতে আঘাতের চেষ্টা এবং উসকানিমূলক বক্তব্যের বিষয়গুলো মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
শাহবাগ থানার পুলিশ বাদী হয়ে মামলাটি করেছে। মামলার নম্বর ১১।
এতে দণ্ডবিধির ১২০খ, ১৫৩ক ও ২৯৫ক ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
এর আগে শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমির সামনের দেয়ালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতি বিকৃত ও নষ্ট করার চেষ্টার অভিযোগে এক নারীসহ চারজনকে আটক করে পুলিশ।
পরে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হলে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিরা কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত কি না, তা বিবেচ্য নয়। মামলার আসামি হিসেবেই তাঁদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, আ এন এম আয়াস (২৯), তার বাবার নাম মোস্তফা। তার ঠিকানা রাজধানীর নিউমার্কেটের ৯৫/এ, এলিফ্যান্ট রোড। মো. সাকিবুল হাসান (১৯), তার বাবার নাম হরমুজ আলী। তার বাড়ি শেরপুর সদর উপজেলার পাকুরিয়া এলাকায়। মো. সুজন মিয়া (১৮), তার বাবার নাম সোলাইমান। তার ঠিকানা লক্ষ্মীপুর সদর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে। এ ছাড়া গ্রেপ্তার অপরজন মারজিয়া খন্দকার রিমি (২৭)। তার বাবার নাম মোস্তাক আহমেদ খন্দকার। তার বাড়ি কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ফকিরাপুল এলাকায়।
নিজস্ব প্রতিবেদক | বাংলাবাজার পত্রিকা.কম



















