হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে দৈনন্দিন ডায়েটে বাদামজাতীয় খাবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে আখরোট বর্তমানে স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞদের কাছে অন্যতম সুপারফুড হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এতে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, প্রোটিন ও ম্যাগনেশিয়াম হৃদযন্ত্র, মস্তিষ্ক এবং সামগ্রিক বিপাকীয় স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আখরোট শরীরে দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ বা ক্রনিক ইনফ্ল্যামেশন কমাতে সাহায্য করে, যা হৃদরোগ, কোলেস্টেরল বৃদ্ধি, মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা হ্রাস এবং দ্রুত বার্ধক্যের মতো সমস্যার সঙ্গে সম্পর্কিত।
চিকিৎসক আলোক চোপড়ার মতে, প্রদাহ কমাতে আখরোট অত্যন্ত কার্যকর। এটি দীর্ঘমেয়াদে হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য, মস্তিষ্কের কার্যকারিতা এবং অন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
কতটা আখরোট খাওয়া উচিত?
বিশেষজ্ঞরা জানান, পরিমিত মাত্রায় আখরোট খাওয়া জরুরি।প্রায় ২৮ গ্রাম বা এক মুঠো আখরোটেই শরীর প্রয়োজনীয় উপকার পেতে পারে। এই পরিমাণ আখরোটে প্রায় ২.৫ গ্রাম উদ্ভিজ্জ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা প্রদাহ কমাতে সহায়তা করে। তবে এর বেশি নিয়মিত না খাওয়ার পরামর্শই দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।
কীভাবে ডায়েটে রাখবেন আখরোট?
শুধু কাঁচা আখরোটই নয়, দৈনন্দিন খাবারের বিভিন্ন পদেও এটি যোগ করা যেতে পারে। যেমন,
*) ওটমিল বা স্মুদিতে মিশিয়ে
*) দই বা ভাতের সঙ্গে
*) সালাদ ও স্বাস্থ্যকর চাটে ছড়িয়ে
*) স্বাস্থ্যকর ডিপ বা সস তৈরিতে
বিশেষজ্ঞদের মতে, আখরোট কেক বা মাফিনে ব্যবহার করা গেলেও স্বাস্থ্যকর উপায়ে গ্রহণ করাই সবচেয়ে ভালো।
উল্লেখ্য, নিয়মিত ও পরিমিত আখরোট গ্রহণ হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে। পাশাপাশি এটি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ানো এবং সামগ্রিক সুস্থতা বজায় রাখার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ডেস্ক | বাংলাবাজার পত্রিকা.কম























