বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

একাদশে ভর্তির সুযোগ পেয়েও যে ভুলে বাতিল হতে পারে আবেদন

একাদশে ভর্তির সুযোগ পেয়েও যে ভুলে বাতিল হতে পারে আবেদন

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপে ৯ লাখ ৮০ হাজার ৮১৫ জন শিক্ষার্থী বিভিন্ন কলেজে ভর্তির জন্য আসন বরাদ্দ পেয়েছেন। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন না করলে তাদের আসন বরাদ্দ ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে। ফলে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির সুযোগ পেয়েও সামান্য ভুলে ভর্তি থেকে বঞ্চিত হতে পারেন শিক্ষার্থীরা।

প্রথম ধাপে আবেদন করে কোনো কলেজে আসন পাননি ১৪ হাজার ৪১৫ জন শিক্ষার্থী। বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ধাপের ফল প্রকাশের পর থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা ভর্তি নিশ্চায়ন করতে পারবেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিশ্চায়ন না করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।



এ বছর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য মোট ৯ লাখ ৯৫ হাজার ২৩০ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেন। তাদের পছন্দ অনুযায়ী বিভিন্ন কলেজে মোট ৫৬ লাখ ১৫ হাজার ৫২৫টি আবেদন জমা পড়ে। প্রথম ধাপের ফল অনুযায়ী, আবেদনকারীদের প্রায় ৯৮ শতাংশই কোনো না কোনো কলেজে আসন বরাদ্দ পেয়েছেন।



এদিকে, চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১১ লাখ ৪৪ হাজার ৬৮৭ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হন। তাদের মধ্যে ৯ লাখ ৫৬ হাজার ৫৭১ জন একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন করেন। অর্থাৎ উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের প্রায় ৮৪ শতাংশ একাদশে ভর্তির জন্য আবেদন করেছেন।



নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নির্ধারিত ওয়েবসাইটে লগইন করে ফলাফল দেখতে পারবেন। একই সঙ্গে আবেদনকারীদের মোবাইল ফোনেও এসএমএসের মাধ্যমে ফল পাঠানো হচ্ছে।



শিক্ষার্থীদের পছন্দক্রম অনুযায়ী মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। এরপর ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম চলবে। ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হবে ২৪ সেপ্টেম্বর।



এর আগে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস শুরুর কথা ছিল। তবে পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে ওই দিন দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি থাকায় ক্লাস শুরুর তারিখ এক দিন পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।



এর আগে ২ সেপ্টেম্বর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হয়। এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে মেধাক্রম অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তি করা হচ্ছে। এ কারণে এবার কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে না। অনলাইন আবেদনের ফি ছিল ২২০ টাকা।



ভর্তি নিশ্চায়নের সময় বোর্ডকে মোট ৩৪০ টাকা ফি দিতে হবে। এর মধ্যে রেজিস্ট্রেশন ফি ১৪২ টাকা, ক্রীড়া ফি ৫০ টাকা, বিএনসিসি ফি ১০ টাকা, রোভার/রেঞ্জার ফি ১৫ টাকা, রেড ক্রিসেন্ট ফি ১৬ টাকা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফি ৭ টাকা এবং শিক্ষক কল্যাণ ও অবসর সুবিধা ফি ১০০ টাকা।



তাই আসন বরাদ্দ পাওয়া শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সম্পাদক : আবদুল মাতিন