বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাবাজার পত্রিকা.কম বিভিন্ন জায়গায় প্রচুর বোরকা-নেকাব বানানোর তথ্য পাচ্ছি : মাহদী আমিন বাংলাবাজার পত্রিকা.কম নির্বাচনের আগ মুহূর্তে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি জাতিসংঘের বার্তা বাংলাবাজার পত্রিকা.কম সূত্রাপুরে ভোট কেনার সময় আটক জামায়াতের নায়েবে আমির, কারাদণ্ড বাংলাবাজার পত্রিকা.কম রিজভীকে দেখতে হাসপাতালে তারেক রহমান বাংলাবাজার পত্রিকা.কম গোপালগঞ্জে ভোটকেন্দ্রের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ বাংলাবাজার পত্রিকা.কম ভোটাধিকার প্রয়োগে ভোটারদের প্রতি প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান বাংলাবাজার পত্রিকা.কম টাকাসহ আটকের পর জামায়াত নেতার ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য নয়: তারেক বাংলাবাজার পত্রিকা.কম তারেক রহমানকে সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ালেন ৪ স্বতন্ত্র প্রার্থী বাংলাবাজার পত্রিকা.কম যারা জামায়াত নেতাকে আটক করেছে তারা সিদ্ধান্ত নেবে: ইসি সচিব বাংলাবাজার পত্রিকা.কম বিমানবন্দরে আটক জামায়াত নেতার কাছে ৭৪ লাখ টাকা ছিল: পুলিশ

মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার কে এম সফিউল্লাহ মারা গেছেন

মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার কে এম সফিউল্লাহ মারা গেছেন

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল কে এম সফিউল্লাহ মারা গেছেন। রোববার (২৬ জানুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন তার মৃত্যু হয়।জানা গেছে, নব্বই-ঊর্ধ্ব সফিউল্লাহ দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, থাইরয়েডে জটিলতা, ফ্যাটি লিভার, ডিমেনশিয়াসহ নানা স্বাস্থ্য সমস্যায় আক্রান্ত ছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন তার চলাফেরা চলে স্ট্রেচারে।১৯৭১ সালে সফিউল্লাহ ছিলেন জয়দেবপুরে দ্বিতীয় ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের দ্বিতীয় প্রধান। তার নেতৃত্বেই ওই রেজিমেন্টের বাঙালি সৈন্যরা বিদ্রোহ করে। মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে সফিউল্লাহ ছিলেন ৩ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার।পরে তিনটি নিয়মিত আর্মি ব্রিগেড (ফোর্স নামে পরিচিত) গঠিত হলে ‘এস’ ফোর্সের নেতৃত্বে আসেন সফিউল্লাহ। মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি ‘বীর উত্তম’ খেতাব পান।১৯৩৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে জন্ম নেয়া কে এম সফিউল্লাহ দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। পরে মালয়েশিয়া, কানাডা, সুইডেন, ইংল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। ১৯৯১ সালে দেশে ফিরে এলে তাকে এক বছর ওএসডি করে রাখা হয়। পরের বছর তিনি স্বেচ্ছায় অবসরে যান।

সম্পাদক : আবদুল মাতিন