রবিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাবাজার পত্রিকা.কম এনটিআরসির ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি কখন, যা জানা গেল বাংলাবাজার পত্রিকা.কম প্রিয়জনদের খুশি রাখার সহজ উপায় বাংলাবাজার পত্রিকা.কম শরীরের রোগ প্রতিরোধে ও সুরক্ষায় ‘গোল্ডেন মিল্ক’ বাংলাবাজার পত্রিকা.কম বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু, সাংবাদিক মার্ক টালি আর নেই বাংলাবাজার পত্রিকা.কম নিরাপত্তা শঙ্কায় বাতিল হলো সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাংলাবাজার পত্রিকা.কম সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তির জন্য আবেদন করা হয়নি: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাবাজার পত্রিকা.কম কঠোর হস্তে দুর্নীতি দমনের ঘোষণা তারেক রহমানের বাংলাবাজার পত্রিকা.কম হাসিনার প্রকাশ্য বক্তব্য দেশের গণতন্ত্র ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাবাজার পত্রিকা.কম হেভিওয়েট রাজনীতির অবসান হবে: সারজিস আলম বাংলাবাজার পত্রিকা.কম ‘কৃষি ছাড়া উত্তর দেব না’, ছাত্রলীগ নেতার ইস্যুতে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বাসররাতে মুখ ধোয়ার পর কনেকে চিনতে পারলো না বর, অতঃপর..

বাসররাতে মুখ ধোয়ার পর কনেকে চিনতে পারলো না বর, অতঃপর..

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় গত বছর ১ আগস্ট একটি বিয়ের পর ‘কনে বদল’ সংক্রান্ত জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। যা এখন আদালত ও কারাগারের মাধ্যমে বিচারাধীন রয়েছে।


বিবরণ অনুযায়ী, রায়হান কবির ও জিয়ারুল হকের মেজো মেয়ের বিয়ে হয়। তবে বাসররাতে বর রায়হান কবির অভিযোগ করেন, যাকে বিয়ের আগে দেখানো হয়েছিলো, বাসরঘরে আসা নববধূ সেই নারী নন। বর দাবি করেন, অতিরিক্ত মেকআপের আড়ালে কনে বদল করা হয়েছে এবং বিয়ের পরেই এ প্রতারণা বুঝতে পেরেছেন।


এই অভিযোগের ভিত্তিতে বরপক্ষ মেয়ের বাবা জিয়ারুল হক ও ঘটক মোতালেবকে আসামি করে ২৭ আগস্ট ঠাকুরগাঁও আদালতে মামলা করেন। এরপর ২ সেপ্টেম্বর কনের পরিবারও পাল্টা মামলা দায়ের করে।


বর রায়হান কবিরের মামা বাদল জানান, ঘটকের মাধ্যমে পাত্রী খোঁজা হয়েছিলো এবং মেয়েপক্ষ দ্রুত বিয়ে সম্পন্ন করতে চেয়েছিল। কিন্তু বিয়ের রাতেই কনেকে চিনতে না পারার কারণে সমস্যা শুরু হয়। বর দাবি করেন, ঘটক ও মেয়ের বাবা এই প্রতারণার পরিকল্পনা করেছিলেন।


অন্যদিকে কনের বাবা জিয়ারুল হক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মেজো মেয়েকে ছেলেপক্ষ বিয়ের আগে দেখেছে এবং বিয়ের অনুষ্ঠানে অনেক অতিথি উপস্থিত ছিল। তিনি বলেন, বিয়ের পর যৌতুক দাবি করা হয়, যা মিথ্যা অভিযোগ বলে তিনি মন্তব্য করেন।



ঘটক মোতালেবও কনে বদলের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি অন্য কোনো মেয়ে দেখাননি এবং বিয়ের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করেছে ছেলেপক্ষ।


ঠাকুরগাঁও আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও ছেলেপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদিন জানান, মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও কোন সমাধান হয়নি। বর্তমানে বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে এবং তারা আশা করেন, সঠিক সত্য উন্মোচিত হবে।


এ ঘটনা ঠাকুরগাঁও এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে এবং বিয়ের আনন্দ মুহূর্তকে সন্দেহ ও আইনি ঝামেলায় পরিণত করেছে। আদালতের সিদ্ধান্ত অনুসারে রায়হান কবির জামিনে ছিলেন, তবে সম্প্রতি জামিন নামঞ্জুর হয়ে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।


সম্পাদক : অপূর্ব আহমেদ