প্রাচীনকাল থেকেই ভেষজ চিকিৎসায় হলুদের ব্যবহার হয়ে আসছে। হলুদে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান যখন দুধের সাথে মেশানো হয়, তখন এর কার্যকারিতা বহুগুণ বেড়ে যায়। এই মিশ্রণটি শরীরকে বিভিন্ন সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে।
বিশেষ করে হলুদে থাকা ‘কারকিউমিন’ উপাদান শরীরের অভ্যন্তরীণ প্রদাহ কমাতে এবং পিরিয়ড চলাকালীন শারীরিক অস্বস্তি দূর করতে অত্যন্ত কার্যকরী।
যাদের অনিদ্রা বা ঘুমের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য হলুদ দুধ একটি আদর্শ প্রাকৃতিক সমাধান। এটি মস্তিষ্ককে শান্ত রাখে এবং স্মৃতিশক্তি উন্নত করতে সহায়তা করে।
এছাড়া সর্দি-কাশি ও গলা ব্যথার উপশমে গরম হলুদ দুধ জাদুর মতো কাজ করে।
নিয়মিত এই পানীয় গ্রহণ করলে শরীরের বিপাক হার বা মেটাবলিজম বৃদ্ধি পায়, যা অতিরিক্ত মেদ ঝরিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে। ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি এবং ফ্রি র্যাডিকেলের ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতেও এর জুড়ি নেই।
হলুদ দুধ পানের সঠিক সময় নিয়ে বিশেষজ্ঞদের বিশেষ কিছু পরামর্শ রয়েছে।
মূলত তিনটি সময়ে এটি বেশি উপকারী। প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে এক গ্লাস গরম হলুদ দুধ পান করলে শরীর সুস্থ থাকে এবং ঘুম গভীর হয়। আবার সকালে খালি পেটে পান করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং সারাদিন কর্মক্ষম থাকা যায়।
এছাড়া ঋতু পরিবর্তনের সময় যখন ঠান্ডা লাগা বা সাধারণ শারীরিক সমস্যা বাড়ে, তখন নিয়মিত হলুদ দুধ পান করা একটি প্রাকৃতিক রক্ষা কবজ হিসেবে কাজ করতে পারে।
ডেস্ক | বাংলাবাজার পত্রিকা.কম























