গণভোটে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’—কোনো পক্ষের পক্ষে প্রচারণা না চালাতে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কোনো পক্ষ অবলম্বন করলে গণভোট অধ্যাদেশ ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী তা দণ্ডনীয় অপরাধ হবে উল্লেখ করে ভোটকে প্রভাবিত না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত চিঠি সব রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে চিঠির অনুলিপি মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছেও পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, গণভোট একটি সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। এ প্রক্রিয়ায় সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অবশ্যই নিরপেক্ষ থাকতে হবে। সরকারি দায়িত্বে থেকে কোনো পক্ষের পক্ষে বা বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া কিংবা প্রচারণায় যুক্ত হওয়া আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
নির্বাচন কমিশন উল্লেখ করেছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আচরণ ও বক্তব্য ভোটারদের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে। এ কারণে তাদের সব ধরনের রাজনৈতিক বা গণভোট-সংক্রান্ত প্রচার কার্যক্রম থেকে বিরত থাকা বাধ্যতামূলক।
গণভোটের প্রচারণা ঘিরে সরকারের তরফে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারের অভিযোগ ও বিতর্কের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের এ নির্দেশনা এলো। ইসি জানিয়েছে, গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজনের স্বার্থেই এ ধরনের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক | বাংলাবাজার পত্রিকা.কম


















