শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬

নদীপথে ২০ জনকে পুশইনের চেষ্টা, রুখে দিল বিজিবি

নদীপথে ২০ জনকে পুশইনের চেষ্টা, রুখে দিল বিজিবি

সুন্দরবন উপকূলীয় বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত নদীপথে ২০ জনকে পুশইনের (ঠেলে দেওয়া) চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষা বাহিনী (বিএসএফ)। তবে, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবির) তৎপরতায় তাদের সেই চেষ্টা সম্ভব হয়নি।


সাতক্ষীরার নীলডুমুরে ১৭ বিজিবি ব্যাটালিয়নের আওতাধীন দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।


বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে সাতক্ষীরার নীলডুমুর ১৭ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাহারিয়ার রাজিব এ তথ্য জানান। 


বিজিবি জানায়, গত ৮ জুন থেকে ১০ জুন ভোর পর্যন্ত সাতক্ষীরার ১৭ বিজিবি ব্যাটালিয়নের আওতাধীন সীমান্ত এলাকার বিপরীতে ভারতীয় ৭৪ ও ৭৭ বিএসএফ ব্যাটালিয়ন ১৮ থেকে ২০ জন নারী, পুরুষ ও শিশুকে জড়ো করে নদী পথসহ সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে পুশইনের চেষ্টা করে।


বিজিবি আরো জানায়, পুশইন প্রতিরোধে ১৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন একাধিক কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এরমধ্যে সীমান্তবর্তী সংশ্লিষ্ট বিওপিগুলোতে অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন, মোটরসাইকেল ও এটিভির মাধ্যমে নিয়মিত অতিরিক্ত রাত্রিকালীন টহল, সীমান্ত এলাকায় মাইকিং করে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং বাঁশি, লাইট ও মেঘা ফোনসহ বিশেষ টহল কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।


এছাড়া, নদীপথে পুশইন ঠেকাতে সীমান্তবর্তী নদী এলাকায় হাই স্পিডবোটের মাধ্যমে নিয়মিত টহল অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে বিভিন্ন সচেতনতামূলক সভাও আয়োজন করা হচ্ছে। যেকোন পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যাটালিয়ান সদর দপ্তর থেকে সার্বক্ষণিক দুই সেকশনের একটি কুইক রেসপন্স ফোর্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানায় বিজিবি।


নীলডুমুর ১৭ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাহারিয়ার রাজিব বলেন, “কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অবৈধভাবে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশইনের অপচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হচ্ছে।”


রাতভর নদীপথসহ সীমান্ত এলাকায় টহল জোরদার করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, “সীমান্ত এলাকা বরাবর মাইকিং ও হুইসেল ব্যবহার করে বিএসএফকে জানান দেওয়া হচ্ছে, বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সীমান্ত সুরক্ষায় ১৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ান সব সময় সতর্ক রয়েছে।”

সম্পাদক : আবদুল মাতিন