ভারী বষর্ণে বান্দরবানে ও সাঙ্গু নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়া আবারও জেলা শহরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। জেলা শহরের ইসলাম পুর, আর্মিপাড়া, শেরে বাংলা নগর, ব্রীগেড এলাকা, বালাঘাটার আম বাগান, ক্যাচিংঘাটা, হাফেজঘোনা ও নিম্নাঞ্চলসহ নদী তীরবর্তী বেশ কয়েকটি এলাকায় পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে জেলা শহরের কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ছেন।
শুক্রবার (১০ জুলাই) সারা রাত বৃষ্টিপাত হওয়ায় নিম্নাঞ্চল আবারও পানির নিচে তলিয়ে যায়।
এছাড়া পাহাড় ধসে রুমা, রোয়াংছড়ি ও বান্দরবান-রাঙামাটি সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। যানবাহন বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
এদিকে এখনও বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটছে। তবে পাহাড়ে পাদদেশে বসবাসকারীদের মাঝে দেখা দিয়েছে আতঙ্ক। জেলা মোট ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে এবং প্রায় ৫ হাজারেও বেশি বন্যাকবলিত মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। বান্দরবান সদর জোনের সেনাবাহিনী উদ্যোগে বন্যাকবলিত ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন ও উদ্ধার অভিযান করেন এবং খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।
বান্দরবান পৌরসভার পক্ষে থেকে আশ্রয় নেওয়া বাসিন্দাদের শুকনা খাবারের পাশাপাশি রান্না করা খাবার, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, মশার কয়েল প্রদান করা হচ্ছে। চলমান বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় বান্দরবান জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ মোবাইল ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মাধ্যমে বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ করে যাচ্ছে। ভ্রাম্যমাণ গাড়িতে পুকুর থেকে পানি তুলে সেই পানি বিশেষ প্রক্রিয়ায় পরিশোধন করে জনসাধারণদের মধ্যে বিতরণ করেন।
ডেস্ক | বাংলাবাজার পত্রিকা.কম



















